মালিক ও সেটআপ
কর্মী, হাজিরা ও বেতন
কর্মচারী যোগ করা, রোজকার হাজিরা, ছুটির আবেদন, বেতন অগ্রিম আর মাস শেষে বেতন শিট থেকে বেতন দেওয়া
যাদের জন্য:মালিকম্যানেজার
দোকানের কর্মচারীদের তথ্য, প্রতিদিনের হাজিরা, ছুটি, অগ্রিম আর মাসিক বেতন সব কর্মী মেনুতে রাখা যায়। মাস শেষে অনুপস্থিত দিন আর অগ্রিমের কিস্তি সফটওয়্যার নিজেই হিসাব করে প্রস্তাব দেয়, আর বেতন দিলে খরচ হিসেবে খাতায় আপনা থেকে উঠে যায়।
কর্মচারী যোগ করা
- কর্মী › কর্মচারী খুলুন।
- কর্মচারী যোগ করুন চাপুন।
- পুরো নাম, পদবি (যেমন সেলসম্যান, ফার্মাসিস্ট), মোবাইল, এনআইডি আর যোগদানের তারিখ দিন।
- মাসিক বেতন (৳) লিখুন (এটি দিতেই হবে)।
- কর্মী কোন শাখায় কাজ করেন তা শাখা থেকে বাছুন, অথবা যেকোনো / প্রধান কার্যালয় রাখুন।
- কর্মী যদি সফটওয়্যারে লগইন করেন, লগইন অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁর ইউজার বেছে দিন; না করলে লগইন নেই রাখুন।
- সংরক্ষণ চাপুন।

উপরে সক্রিয় কর্মী আর মাসিক বেতন খরচ দেখায়। কর্মীর নাম চাপলে তাঁর পাতা খোলে: এই মাসের হাজিরা, ছুটির হিসাব, অগ্রিম আর বেতনের ইতিহাস। সেখান থেকে আইডি কার্ড প্রিন্ট করা যায়।
কেউ চাকরি ছেড়ে দিলে কর্মচারী মুছবেন না। পেনসিল আইকন চেপে বর্তমানে কর্মরত টিক তুলে দিন। তালিকায় তাঁর পাশে চাকরি ছেড়েছেন লেখা থাকবে, পুরোনো বেতনের হিসাবও থাকবে।
প্রতিদিনের হাজিরা
- কর্মী › হাজিরা খুলুন। দৈনিক শিট ট্যাব খোলা থাকে।
- উপরের তারিখের ঘরে দিন ঠিক আছে কিনা দেখুন (আপনা থেকে আজকের তারিখ থাকে)।
- প্রত্যেক কর্মীর পাশে একটি বোতাম চাপুন: উপস্থিত, দেরি, অনুপস্থিত, ছুটি বা ছুটির দিন।
- চাইলে প্রবেশ আর প্রস্থান সময় এবং নোট লিখুন।
- সবার হয়ে গেলে নিচে হাজিরা সংরক্ষণ চাপুন।

পুরো মাসের ছবি দেখতে মাসিক সারসংক্ষেপ ট্যাব চাপুন, মাস বেছে নিন। প্রতিদিনের ঘরে সংক্ষেপ অক্ষর থাকে (উ = উপস্থিত, দে = দেরি, অ = অনুপস্থিত, ছু = ছুটি, ব = ছুটির দিন) আর ডান দিকে প্রতিটির মোট।
ছুটি
- কর্মী › ছুটি খুলুন।
- নতুন ছুটির আবেদন চাপুন।
- কর্মচারী বাছুন, ধরন বাছুন (নৈমিত্তিক, অসুস্থতা, বার্ষিক অথবা বিনা বেতনে ছুটি)।
- শুরুর তারিখ আর শেষ তারিখ দিন, কারণ লিখুন।
- সংরক্ষণ চাপুন। আবেদনটি অপেক্ষমাণ অবস্থায় তালিকায় আসবে।
এরপর আবেদনের পাশে তিনটি বোতামের একটি চাপুন:
- অনুমোদন: বেতনসহ ছুটি।
- বিনা বেতনে: ছুটি মঞ্জুর, কিন্তু এই দিনগুলো বেতন শিটে অনুপস্থিত দিন হিসেবে ধরা হবে।
- প্রত্যাখ্যান: আবেদন নামঞ্জুর; তালিকায় প্রত্যাখ্যাত দেখাবে।
নিচের ব্যালান্স টেবিলে প্রত্যেকের এই বছরের অবশিষ্ট ছুটি দেখায় (অবশিষ্ট দিন / প্রাপ্য দিন)। প্রাপ্য ছুটি ধরা আছে বাংলাদেশ শ্রম আইনের ডিফল্ট অনুযায়ী: নৈমিত্তিক ১০, অসুস্থতা ১৪, বার্ষিক ১০ দিন।
বেতন অগ্রিম
মাসের মাঝখানে কোনো কর্মী অগ্রিম টাকা চাইলে:
- কর্মী › বেতন অগ্রিম খুলুন।
- অগ্রিম দিন চাপুন।
- কর্মচারী বাছুন, পরিমাণ (৳) লিখুন।
- প্রতি মাসে কাটা হবে (৳) ঘরে মাসিক কিস্তি লিখুন। খালি রাখলে পুরোটা পরের মাসের বেতন থেকে কাটা হবে।
- যেখান থেকে দেওয়া ঘরে টাকা কোন অ্যাকাউন্ট থেকে গেল তা বাছুন, তারিখ দিন।
- সংরক্ষণ চাপুন।
উপরে বাকি অগ্রিম আর মোট আদায় দেখায়। পুরো টাকা কেটে নেওয়া হলে লাইনে শোধ হয়েছে দেখায়।
মাস শেষে বেতন দেওয়া
- কর্মী › বেতন খুলুন। উপরের ডান দিকে মাস বেছে নিন।
- তালিকায় প্রত্যেকের মূল বেতন, অনুপস্থিত দিন, অগ্রিম বাকি আর প্রস্তাবিত নিট বেতন দেখুন।
- যাঁকে বেতন দেবেন তাঁর লাইনে পরিশোধ করুন চাপুন।
- খোলা ফর্মে মিলিয়ে নিন:
- মূল বেতন (৳): আপনা থেকে মাসিক বেতন বসানো থাকে।
- বোনাস / ওভারটাইম (৳): থাকলে লিখুন।
- অন্যান্য কর্তন (৳): জরিমানা, ক্যাশ ঘাটতি ইত্যাদি।
- অগ্রিম আদায় (৳): এই মাসের কিস্তি আপনা থেকে বসানো থাকে।
- অনুপস্থিত দিন থাকলে ২ দিনের অনুপস্থিতি কাটুন-এর মতো একটি ঘরে টিক দেওয়া থাকে। হিসাব: মূল বেতন ÷ মাসের দিন × অনুপস্থিত দিন। মাফ করতে চাইলে টিক তুলে দিন।
- যেখান থেকে দেবেন ঘরে অ্যাকাউন্ট বাছুন (সাধারণত দোকানের ক্যাশ)।
- বেতন দিন চাপুন।

লাইনটি পরিশোধ হয়ে যায়, পাশে পেস্লিপ লিংক আসে। পেস্লিপ খুলে প্রিন্ট করে কর্মীর সই নিয়ে রাখুন। ভুল হলে পাশের উল্টো তীর আইকন চেপে বেতনটি বাতিল করুন; টাকা অ্যাকাউন্টে ফেরত যায়, তারপর আবার ঠিকভাবে দিন।
উপরের কার্ডে বেতন খরচ (মাসের মোট), কত জনকে পরিশোধ হয়েছে আর এখনো দিতে হবে কতজন, দেখা যায়।